কেন ওয়েবসাইট গুগলে র‍্যাংক হয় না? এসইও ভুল গুলো কি কি?

0
382
কেন-ওয়েবসাইট-গুগলে-র‍্যাংক-হয়-না-এসইও-ভুল-গুলো-কি-কি

আমরা অনেকেই আছি seo এর মানে কি এবং seo কিভাবে কাজ করে সেটা জানি না আর জন্যই এস ই ও করার সময় আমরা না বুঝে ভুল করে থাকি। কিভাবে এসইও করতে হয় সেটা আমাদের জানা দরকার। একটি ওয়েবসাইট ইন্টারনেট জগতে পাবলিশ করতে চাইলে গুগলে অ্যাড করতে হয় আর সবার কাছে ওয়েবসাইট পৌঁছানোর জন্য দরকার ভালো মানের এসইও। আর আপনি যদি অন পেজ এসইও করার সময় seo mistakes করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইট র‍্যাংক হবে কিভাবে। এসইও করার সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোন ভুল না হয় আর যদি হয়ে যায় তাহলে এই আর্টিকেলটি পড়ে সমাধান করে নিন।

আজকের আর্টিকেলের আলোচনার বিষয় হচ্ছে “seo mistakes”। আমরা ওয়েবসাইট এস ই ও করার সময় অনেক ভুল করে থাকি যার জন্য ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে আসে না। আমাদের ওয়েবসাইটের মধ্যে এমন কিছু ভুল করে থাকি যার কারণে আমাদের এসইও পারফর্মেন্স অনেক খারাপ হয়ে যায়। আজকে আমি এমন ৭টি এসইও ভুল নিয়ে কথা বলব যে ভুল গুলি আপনি যদি শূদ্রে নিতে পারেন তাহলে আশা করি আপনার ওয়েব সাইট গুগলের প্রথম পেজে র‍্যাংক হবে।

 

১। নকল এবং পাতলা কন্টেন্ট

এসইও-টিউটোরিয়াল

প্রথমেই জেনে নেই ডুপ্লিকেট বা থিন কন্টেন্ট কি? নকল কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার ওয়েব পেইজের মধ্যে যদি সিমিলার কন্টেন্ট দুটি পেইজে ব্যবহার করেন। তার অর্থ হচ্ছে আপনি একই ধরণের কন্টেন্ট দুটি পেইজের মধ্যে ব্যবহার করছেন। দেখা যাচ্ছে যে দুটি পেইজ আপনার গুগলে ইনডেক্স আছে কিন্তু কন্টেন্ট একই আর এটিই হচ্ছে ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট। থিন কন্টেন্ট বা পাতলা কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার একটি কন্টেন্টের মধ্যে সঠিক ভাবে সকল ইনফরমেশন শেয়ার করছেন না দেখা যাচ্ছে যে ১০০-২০০ ওয়ার্ডের মত কন্টেন্টে ইনফরমেশন শেয়ার করছেন।

কিন্তু এখানে আপনি যদি আরো বেশি ইনফরমেশন দিতেন ৫০০-১০০০ ওয়ার্ডের একটি কন্টেন্ট শেয়ার করতেন তাহলে হয়ত এই তথ্য গুলো মানুষের বুঝতে আরো সহজ হত। তাই এই সমস্যার কারণে আপনার ওয়েবসাইট অনেক ক্ষেত্রে র‍্যাংকিং এ পিছিয়ে থাকে। তাই আমাদের সব সময় শতর্ক থাকতে হবে যাতে আমাদের ওয়েবসাইটের মধ্যে কখনো ভূল গুলো না থাকে।

২। ভুল শিরোনাম নির্বাচন করা

অফ-পেজ-এসইও

ভুল শিরোনাম নির্বাচন করা অনেক বড় একটি এসইও ভুল আমরা যখন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করি সব সময় মনে রাখতে হবে সার্চইঞ্জিন থেকে যখন ভিজিটর আমাদের পেইজে আসে তখন তারা সার্চ রেজাল্ট পেইজে আমাদের ওয়েব পেইজের টাইটেলটিকেই মূলত কেন্দ্রবিন্দু করে। আপনারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন সার্চইঞ্জিনে যখন কোনো কিছু সার্চ করা হয় তখন টাইটেলটি আমরা সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই বা টাইটেলটি দেখে থাকি।

কিন্তু দেখা যায় টাইটেল তৈরি করার সময় ওখানে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডপ্রেস করছেন না অথবা টাইটেলটি এমন ভাবে তৈরি করছেন যেটি দেখলে কারো ইচ্ছাই করে না আপনার ওয়েবপেইজে ক্লিক করতে।

আমাদের সবসময় উচিৎ যখন একটি টাইটেল তৈরি করছি টাইটেলটির কিওয়ার্ড ফোকাস  করে তৈরি করা, যে কিওয়ার্ড দিয়ে আমরা চাই মানুষ ওয়েবসাইটটি সার্চ করে পাক। এবং অবশ্যই টাইটেলটি এতটাই Informational করে তৈরি করা উচিৎ যাতে একজন মানুষ উৎসাহ পায় আপনার ওয়েবপেইজে ভিজিট করার জন্য।

৩। ৪০৪ ত্রুটি পৃষ্ঠা

আপনার ওয়েবপেইজের মধ্যে এমন অনেক পেইজ রয়েছে যে পেইজ গুলোর আর অস্তিত্ব নেই অর্থাৎ যে পেইজ গুলো কোনো কারণে ডিলিট করে দিয়েছেন অথবা পেইজের লিংক গুলো চ্যাঞ্জ হয়েগেছে এই যে সকল পেইজ গুলো আছে আপনি ডিলিট করে দিয়েছেন কিন্তু পেইজটি গুগলে অলরেডি ইন্ডেক্স হয়ে আছে।

অথবা আপনি কোনো কারণে পেইজের ইউআরএল টি চ্যাঞ্জ করে ফেলেছেন এইসকল পেইজ গুলো পরবর্তিতে যখন গুগলে কেউ পায় অথবা যদি অন্য কোনো ওয়েবসাইটে এইসকল পেইজ লিংক করা থাকে ওইসকল পেইজে মানুষ যখন ভিজিট করে তখন ওই পেইজটিকে 404 Error Page দেখায় যেটিকে আমরা প্রাই দেখে থাকি পেইজ নট ফাউন্ড। সো এই ধরণের সমস্যা একটি ওয়েবসাইটের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ।

এসইও-কোর্স

দেখা যেতে পারে আপনার ওই ব্রোকেন লিংকটি অন্য অনেক ওয়েবসাইট থেকে তাকে ব্যাকলিংক দেওয়া হয়েছে এর ফলে যেটা হচ্ছে ওই ব্যাকলিংকের যে বেনিফিট পাওয়ার কথা সেটি আপনি পাচ্ছেন না।আপনার ওয়েবসাইট থেকে এই ৪০৪ পেইজ গুলো খুঁজে বের করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ ব্যাকলিংক কি? কিভাবে এসইও ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়?

এই ব্রোকেন পেইজ গুলো খুঁজে পাওয়ার সব চেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে সার্চ কনসোলের মধ্যে ক্রল এরর পার্টের মধ্যে আপনি দেখতে পারবেন ব্রোকেন লিংক কি আছে অথবা আপনি বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে এই ৪০৪ পেইজ গুলো খুঁজে বের করতে পারেন।

এই পেইজ গুলোকে আপনার উচিৎ নতুন কোনো কন্টেন্ট তৈরি করে সেই পেইজের সাথে কানেক্ট করে দেওয়া অথবা পুরনো কোনো কন্টেন্ট যদি সিমিলার টাইপের কন্টেন্ট থাকে তাহলে সেই পেইজের সাথে এইটিকে কানেক্ট করে দেওয়া।

৪। এইচটিটিপিএস ছাড়া ওয়েবসাইট ইউআরএল

আমি বলবো বর্তমানের জন্য এটি অনেক বড় একটি এসইও ভুল সেটি হচ্ছে ওয়েবসাইটের মধ্যে এসএসএল ব্যবহার না করা। যারা এসএসএল সম্পর্কে জানেন না এটা হচ্ছে সিকিউর সকেট লেয়ার এইচটিটিপিএস আমরা যেটাকে বলে থাকি।

বর্তমানের জন্য এটি অনেক বড় মিসটেক বলার কারণ হচ্ছে আপনারা নিশ্চয়ই জেনে থাকবেন বর্তমানে মানুষ গুগলে ভয়েস সার্চের সংখা বেড়ে যাচ্ছে মানে আমরা যারা লিখে সার্চ করতাম তারা এখন আস্তে আস্তে গুগল ভয়েস সার্চ বেশি ব্যবহার করছি অর্থাৎ আমরা কিছু লিখছি না আমরা ভয়েসের মধ্যমে সার্চ করছি।

এবং একটা জরীপে দেখা গেছে আগামী দিনে ৫০ ভাগেরও বেশি সার্চ হবে গুগল ভয়েস সার্চের মধ্যমে এর অর্থ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটটি অবশ্যই গুগল ভয়েস সার্চের জন্য তৈরি থাকতে হবে তা নাহলে কখনই আপনার ওয়েবসাইটটি গুগলে র‍্যাংক পাবে না।

কিন্তু যদি আপনের ওয়েবসাইটে সিকিউর সকেট লেয়ার বা এসএসএল এই সার্ভিসটি না থাকে তাহলে আপনার সাইট কখনই গুগলে ভয়েস সার্চের র‍্যাংকে আসবে না। কারণ গুগল ভয়েস সার্চে কোনো ওয়েবসাইট র‍্যাংকে আসার প্রধান একটি সর্ত হচ্ছে আপনার সাইট অবশ্যই সিকিউর দেখাতে হবে।

seo-কিভাবে-কাজ-করে?

এছাড়া আপনি দেখবেন বিভিন্ন ওয়েবসাইট যখন আমরা ব্রাউজ করি যদি তার এসএসএল না থাকে তাহলে একটি লেখা গুগল ক্রমের উপরে লাল কালার হয়ে আসে নট সিকিউর। আপনি নিশ্চই খেয়াল করেছেন এই নট সিকিউর দেখার সাথে সাথে আমারা অডিয়েন্স আমাদের মনে একটা ভয় চলে আসে যে এই সাইটের মধ্যে হয়ত আমার যাওয়াটা নিরাপদ না তখন আমরা ওই সাইট থেকে ফিরে আসি

তো এটা একটা বড় কারণ আপনার ওয়েবসাইট থেকে ট্রাফিক হারানোর, এছাড়া ৮৪ ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন ইউজার যখন কোনো একটি প্রোডাক্ট পার্চেস করতে চায়, যদি সেই সাইটে সিকিউর না দেখে তাহলে সে আপনার ওয়েবসাইট থেকে কখনই পণ্য ক্রয় করতে আগ্রহী হয় না।

৫। ভুল কিওয়ার্ড নির্বাচন করা

অন-পেজ-এসইও

আমরা ওয়েবসাইট তৈরি করার মূল লক্ষ্য হচ্ছে যখন আমাদের টার্গেটেড অডিয়েন্সরা কোনো কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করবে তখন জেন তারা আমাদের ওয়েবসাইটকে খুঁজে পায়। কিন্তু এটার চেয়ে বড় যে ভুলটি করি আমরা সেটা হচ্ছে আমরা টার্গেটেড কিওয়ার্ড গুলোকে সঠিক ভাবে ওয়েবসাইটে ব্যবহার করি না বা সঠিক ভাবে ওয়েবসাইটে প্লেস করি না। যেমন- আমি যদি বলি আমি বাংলাদেশের মধ্যে স্মার্ট ওয়ার্ড বিক্রয় করি, এখানে আমার টার্গেটেড কিওয়ার্ড তাহলে কি হওয়া উচিত?

যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে শুধু স্মার্ট ওয়ার্ড কথাটা রাখেন তাহলে আমি বলবো এটি আপনি এসইও ভুল  করছেন। কারণ আপনার টার্গেট অডিয়েন্স বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসবে না। আমি যদি এভাবে বলি আপনার টার্গেট ঢাকা কেন্দ্রিক তাহলে শুধু মাত্র অডিয়েন্স ঢাকা সিটির মধ্য থেকে আসবে, এক্ষেত্রে পুরো বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করার কোনো অর্থ নেই।

আমারা দেখা যায় যে শর্ট কিওয়ার্ডের দিকে বেশি লক্ষ্য রাখি এই ক্ষেত্রে আপনের সঠিক কিওয়ার্ডটি কন্টেন্টের মধ্যে রাখতে হবে। তা নাহলে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড দ্বারা টার্গেটেড কাস্টমারকে কখনই আপনার ওয়েবপেইজে আনতে পারবেন না এবং এর ফলে কি হবে ওয়েবসাইটের ভিজিটর কমে যাবে আপনি কাঙ্ক্ষিত সেল পাবেন না।

৬। কিওয়ার্ড ওয়ার্ড স্টাফিং

কিওয়ার্ড অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটে একটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং ওয়েবসাইটের জন্য এটি কখনই ভাল হয় না। সবসময় মনে রাখবেন একটি ওয়েবসাইটে আপনি যখন কোনো কন্টেন্ট লিখছেন কন্টেন্টের মধ্যে কিওয়ার্ড নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহার করা উচিৎ। আপনি চাইলেন যেমন-তেমন খুশি মত কিওয়ার্ড দিবেন এটা কখনই সঠিক হতে পারে না।

এই ক্ষেত্রে গুগল রেকমেন্ডে যদি বলেন কিছু আছে কি না, কিন্তু সেখানে ফিক্সড করা কিছুই নেই যে আপনি ওয়েবসাইটের জন্য এক হাজার ওয়ার্ডের একটি কন্টেন্ট লিখছেন সেটা আপনি কত কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন পারবেন এরকম কোনো কথা গুগল কোথাও বলেনি। কিন্তু আমরা যারা এসইও নিয়ে কাজ করি বা যারা এসইও নিয়ে বহু বছর দরে কাজ করে আসছি আমরা এটি দেখে আসছি। তাই একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন যাতে কিওয়ার্ড স্টাফিং না হয়।

seo-করে-কত-টাকা-আয়-করা-যায়

মনে করেন আমি একটা কন্টেন্ট লিখছি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। সো আমার এখানে মূল কিওয়ার্ড যদি হয় গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন বাংলাদেশ, তাহলে এক্ষেত্রে আমি এই কিওয়ার্ডটি কন্টেন্টের মধ্যে কতবার ব্যবহার করব? যদি আমার কন্টেন্টটি এক হাজার ওয়ার্ডের কন্টেন্ট হয় সেই ক্ষেত্রে আপনি এখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন বাংলাদেশ কথাটি সর্বোচ্চ চার থেকে পাঁচবার ব্যবহার করেন এর বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।

কারণ যতবার এই কিওয়ার্ডটিকে বেশি ব্যবহার করবেন তত আপনার কিওয়ার্ডের ডেনসিটি বেড়ে যাবে। কিওয়ার্ড ডেনসিটি  হচ্ছে কোনো ওয়েবপেইজের মধ্যে পুরো কন্টেন্ট যেটি আছে এই কন্টেন্টের মধ্যে মূল কিওয়ার্ডটিকে কতবার ব্যবহার করলেন এটার শতকরা হিসাব। যদি একটি কিওয়ার্ডকে বারবার ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে যে সমস্যাটা তৈরি হয় এটাকে বলা হয় কিওয়ার্ড স্টাফিং আর এটি কখনো গুগল গ্রহণযোগ্যতা দেয় না।

৭। ধীর লোডিং গতি

আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে একটি ওয়েবসাইটে লোডিং স্পীড অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং এর ক্ষেত্রে শুধু র‍্যাংকিং না ভিজিটরের ক্ষেত্রেও এটি অনেক গুরুত্ব রাখে। ধীর লোডিং গতির কারণ আপনি নিজের ক্ষেত্রে চিন্তা করে দেখেন, আমরা যখন কোনো একটি ওয়েবপেইজ ভিজিট করি তখন যদি ওয়েবপেইজটি লোড হতে অনেক বেশি সময় নেয় আমরা সাথে সাথে একটি কাজ করি ট্যাবটি কেটে দিয়ে চলে আসি।

কেন করি এ কাজটি? কারণ আমাদের আসলে এত সময় কারো নেই যে আমরা বসে থাকব এই পেইজটি লোড হওয়ার জন্য। এখন এ ক্ষেত্রে আপনি বলতে পারেন নেটের স্পীডের কারণে এটি হতে পারে বাট একটা বিষয় চিন্তা করে দেখবেন আমরা কিন্তু বর্তমানে সবাই অনেক ফাস্ট ইন্টারনেট ইউজ করি।

seo-তে-ক্যারিয়ার

ওয়েবপেইজ লোডিং স্পীড অনেক এসইও ভুল করার বড় একটা ফ্যাক্ট, সাধারণত একটা জরীপের মাধ্যমে দেখা গেছে কোনো ওয়েবসাইট যদি তিন সেকেন্ডের মধ্যে লোড না হয় সেক্ষেত্রে সেই ওয়েবসাইটটি কম করে হলেও তার পঞ্চাশ ভাগের উপরে অডিয়েন্স হারায়। এর অর্থ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটটি যদি তিন সেকেন্ডের মধ্যে লোড না হয় তাহলে ওই ইউজার আপনার পেইজ থেকে চলে যাবে।

এর মানে হচ্ছে যে ভিজিটর একবার আপনার পেইজ থেকে চলে যাচ্ছে সে কিন্তু আর নরমালি ওই পেইজে আর ফিরে আসবে না। তার মানে অধিক মাত্রায় ট্র্যাফিক হারাচ্ছেন এবং এই ট্র্যাফিক হারানো শুধু তাই নয় গুগল নিজেও আপনার ওয়েবপেইজটিকে র‍্যাংক করবে না।

গুগল সবসময় মোবাইলে লোড হওয়ার দিকটা বেশি দেখে এবং যদি মোবাইলে লোডিং গতি ভাল থাকে তাহলে ওয়েবসাইটটিকে আগে প্রাধান্য দিবে। তো আসা করি আমি যে ৭টি সমস্যা নিয়ে কথা বললাম এই সাতটি সমস্যা আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here