SEO মানে কি? এসইও ফ্রেন্ডলি কিভাবে করতে হয়? ওয়েবসাইট এসইও

0
111

আমি Blogging করছি গত সাত মাস যাবত। প্রথম দিকে শুরু করেছিলাম ব্লগারে কিছ ব্যক্তিগত ব্লগ নিয়ে। বিভিন্ন কমিউনিটি ব্লগ যেমন, সামহোয়ারইনব্লগ, টেকটিউনসে ও মাঝে মাঝে যেতাম। কিছুদিন আগে একটি ওয়েবসাইটে ডুকার পর কয়েকটা স্থানে এডভারটাইজিং বা বিজ্ঞাপন দেখতে পেলাম। মূলত তারপর থেকেই এডসেন্সের ভূত মাথায় চাপলো।

আমার প্রফেশনাল Blogging জগতে আসা মূলত এই এডসেন্সের কথা মাথায় রেখেই। গত ৬ মাসে এডসেন্স নিয়ে অনেক পড়াশুনা করেছি। প্রচুর ই-বুক পড়েছি। বেশ কতগুলা ভিডিও টিউটোরিয়ালও দেখেছি। এভাবে আস্তে আস্তে এডসেন্সের সাথে সাথে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনও (এস. ই. ও) শিখতে শুরু করলাম।

SEO ছাড়া Adsense আসলে অচল। আমি এডসেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার আগে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) (Search Engine Optimization) সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই। প্রফেশনাল ব্লগিং এরকম একটা জিনিস, যেখানে আপনাকে একটা Visitor Manage করতে হবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করে। আশানুরুপ ভিজিটর পেতে চাইলে অবশ্যই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা থাকা উচিত।কারন ভিজিটর না থাকলে এডসেন্সের কথা ভাবা বোকামী।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

এসইও (SEO) সম্পর্কিত আমার ধারনাগুলো:

এসইও (SEO) হচ্ছে একটি Method যার মাধ্যমে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন যেমন গুগল, ইয়াহু বা বিংয়ের বিভিন্ন আভ্যন্তরীন প্যারামিটারগুলি ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট বা এর কোন একটি পেজকে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে কিরকম লাগবে, কেমন সুন্দর লাগবে সেটা বুঝা যায়।

সাধারনত দুই ধরনের এসইও রয়েছে।

  1. অন পেজ সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
  2. অফ পেজ সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন

Search Engine Optimization করার জন্য কতগুলি মৌলিক জিনিস আছে যেগুলি প্রত্যেকটা ব্লগারের জানা আবশ্যিক। নিচে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হলো-

লেখার উন্নত মান (Unique & Quality Content):

এর চেয়ে বড় SEO কিছুই হতে পারে না। আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি- আপনি যদি এসইও সম্পর্কে কিছু নাও জানেন, কিন্তু Normally অত্যন্ত সুন্দর লিখে যেতে পারেন তবে আপনার ব্লগ বা পোস্টের কোন এসইও প্রয়োজন পড়ে না। উন্নত লেখা নিজেই একটা এসইও। নিয়মিত ভালো এবং অনন্য লেখা লিখে যেতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন রোবট নিজে থেকেই আপনার Blog Post চিনে নিবে এবং রেজাল্ট পেজে ফাস্ট দিকে রাখবে।

Remember, Search Engine কিন্তু এতটাও বোকা নয় যে প্রচুর আনওয়ান্টেড কীওয়ার্ড দিয়ে বানানো একটা লেখাকে সার্চ ইন্জিনে প্রথম দিকে স্থান দিয়ে নিজের ইমেজ নষ্ট করবে। আপনি নিজেকে একজন সাধারন ভিজিটর হিসেবে চিন্তা করুন। মনে করুন কোন একটা সমস্যায় পড়েছেন এবং গুগলে সার্চ দিলেন।

গুগল আপনাকে কোন Blog বা Website এর কয়েকটা লিংক দিলো যেগুলাতে গিয়ে দেখলেন – লেখাটি লিখা হয়েছে প্রচুর আনওয়ান্টেড রিপিটেড কীওয়ার্ড দিয়ে, যার ফলে লেখাটির ভিতর থেকে মূল কথাটিই খুজে বের করা Difficult হয়ে পড়েছে। আপনি হয়তো তখন Google Search Engine এর উপর বিরক্ত হবেন!!! সার্চ ইন্জিনগুলোও এ Topic জানে। আনওয়ান্টেড কীওয়ার্ড দিয়ে আপনি হয়তো প্রথমদিন রেজাল্ট পেজে আসতে পারবেন, কিন্তু খুব দ্রুতই আবার হারিয়ে যেতে হবে।

এর জন্য আপনার Regular ভালো লেখা-লেখি করার ট্রাই করতে হবে। আপনার লেখা সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে টেকসই হবে এবং তুলনামুলকভাবে লাভবান হবেন বেশী।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

কীওয়ার্ড:

এটি হচ্ছে একটি Meaningful Word যা মানুষ সার্চ ইন্জিনের সার্চ বক্সে টাইপ করে নির্দিষ্ট কোন তথ্য খুজে বের করার জন্য। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যা দেখেছি- মানুষ খুব কম সময়ই একটি মাত্র শব্দ দিয়ে সার্চ করে। বরং মানুষ এখন অনেক বেশী স্পেসিফিক তথ্য চায়।

এজন্য তারা গ্রুপ কী-ওয়ার্ড (Phrase Keyword) ব্যবহার করে। এজন্য আপনি যদি “ডিজিটাল ক্যামেরা” কী-ওয়ার্ড না দিয়ে যদি “ক্যাননের ডিজিটাল ক্যামেরা” কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করেন তাহলে অনেক ভালো ফল পাবেন। এক্ষেত্রে আরেকটি সুবিধা হলো- আপনার Global Competitor কমে যাবে ফলে খুব সহজেই রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে স্থান পাবেন।

আরো পড়ুন- কিভাবে ব্যাকলিংক বিল্ডিং করে ওয়েবসাইট র‍্যাংক করবেন?

আভ্যন্তরীন লিংক বিন্যাস (Internal Link Building):

আমার কাছে এ ব্যাপারটা বেশ ফলপ্রসু মনে হয়েছে। আপনি যদি বিখ্যাত তথ্যভিত্তিক সাইট “উইকিপিডিয়া” ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই জানেন যে বিভিন্ন Search Engine এ তাদের Location বরাবরই প্রথম। তাদের আভ্যন্তরীন লিংক বিন্যাসটা খেয়াল করেছেন? এক কথায় Excellent

আপনি কেনই বা এ ট্রিকসটা ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন? Internal Linking যেমন একটি পেজ আরেকটি পেজকে ব্যকলিংক দেয় তেমনি সার্চ ইন্জিন রোবটকে প্ররোচিত করে এক লিংক থেকে আরেক লিংকে জাম্পিং করে ইন্ডেক্স করার জন্য। আর নতুন লেখার সাথে Categorized পুরনো লেখার লিংকিং এর কারনে সবগুলো পেজই সার্চ ইন্জিনের নখদর্পনে থাকে যা আপনার ব্লগের রেংক বাড়ানোর ক্ষেত্রে দারুন সহায়ক।

বিভিন্ন ট্যাগ এবং মেটার উপযুক্ত ব্যবহার ( Using Meta & Different Tags):

প্রত্যেকটা ব্লগারের এই স্টেপটি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা থাকা জরুরী। পোস্ট টাইটেল অবশ্যই H1 এবং পোস্টের সাব হেডিং বা পয়েন্টগুলা H2 ট্যগের ভিতর রাখতে হবে। তবে সার্চ ইন্জিনগুলা H1 ট্যাগটাই গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

পোস্ট ইমেজ ব্যবহার করুন এবং পোস্টটি যে কীওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে লিখেছেন, সেই কীওয়ার্ডটি ইমেজের Alt Tag এ বসিয়ে দিন। পোস্টের টাইটেল ট্যাগে ইংরেজী And, Or, &, The এই শব্দগুলি পরিহার করে ভালো কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ ৬০ ওয়ার্ডের মধ্যে একটি বাক্য বসিয়ে দিন। মেটা ডেসক্রিপশন ১৬০ word বা শব্দের মধ্যে হতে হবে এবং এক্ষেত্রে কীওয়ার্ডটি বাক্যের শুরুতেই বসানোর ট্রাই করবেন।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

ইউআরএল কাঠামো (URL Structure):

ইউআরএল কাঠোমো অবশ্যই পোস্ট নামে থাকাটা এস ই ও তে রেকমেন্ডেড। আর অবশ্যই ইউআরএল ছোট ও সুন্দর হতে হবে। বেশি বোরো ইউআরএল গুগল পছন্দ করে না।
থিম ও সাইডবার (Theme And Sidebar) : মোবাইল রেস্পন্সিভ ও ক্লিন থিম নিবেন। একটা কথা মনে রাখবেন থিম এ নেভিগেশন যাতে ঠিক থাকে অর্থাৎ সাইড বার ও সার্চ বাক্স তা যাতে ঠিক থাকে।

অফ পেজ এসইও:

অফ পেজ এস ই ও হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর একটি পেজ বা পোস্টকে মার্কেটিং করার কৌশল। আপনি অন্যের ওয়েবসাইট এ যেয়ে নিজের জন্য লিংক নিয়ে আসাটাই হচ্ছে অফপেজ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে গুগল কেমন চোখে দেখে?

Different কারো ওয়েবসাইট যদি আপনার যথাযোগ্য স্থানের সাথে মিলে যায় তবে লিংক নিলে গুগল মামা মাইন্ড করবে না বরং এইটা ভালো চোখে দেখে। কিন্তু এলোমেলো যেকোনো সাইট থেকে লিংক করলে গুগল খারাপ চোখে দেখে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আপনি সাইন্স এর স্টুডেন্ট আপনার বন্ধু যদি সব গ্রুপের স্টুডেন্টদের সাথে চলা ফেরা করেন তাহলে কিন্তু বুঝা যাবে না আপনি আসলে কোন গ্রুপ এর ! আপনার Friend Circle যদি শুধু সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড হয় তবে সহজেই আপনাকে বুঝা যাবে। গুগল তার র‍্যাংক ব্রেন দিয়ে আপনার লিংক ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে বুঝার চেষ্টা করে থাকে। তাই লিংক বিল্ডিং হতে হবে রিলেভেন্ট।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

বিপণন বা Marketing:

এটা অফলাইন অপটিমাইজেশনের একটি অংশ। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে বিভিন্ন সোসাল নেটওয়ার্ক যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন এবং বুকমার্কিং সাইট যেমন ডেলিশাস, ডিগ, রেডিট ব্যবহার করে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের উন্নীত (Promote) করাকেই মার্কেটিং বোঝায়। আর্টিকেল সাবমিশন এবং কমেন্টিং করাও মার্কেটিং এর একটি অংশ। একটি পোস্ট লিখার পর উপরোক্ত মার্কেটিং সাইটগুলা ব্যবহার করে আপনার লিংক সাবমিট করুন।

এই হলো সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের বেসিক বিষয়। একটি পোস্ট লেখার সময় উপরোক্ত বিষয়গুলা মাথায় থাকলে আপনার সাইট হবে Well-Optimized. ফলে দ্রুত ভালো পরিমান ভিজিটর পেতে শুরু করবেন।

Finally একটা কথা বলতে চাই, সেটি হচ্ছে – “ধৈর্য্যধারন করুন এবং লেগে থাকুন”। ইন্টারনেটের এই বিশাল ভুবনে নিজের জন্য একটু জায়গা অবশ্যই করে নিতে পারবেন যদি আপনার এই ধৈর্য্যধারন করার ধৈর্য্যটুকু থাকে।

আমি আমার First Check পেয়েছি এই চলতি মাসে (জুন’ ২০১৯)। কিন্তু এডসেন্স নিয়ে কাজ করছি গত ৬ মাস যাবত। এর মধ্যে অনেক বাধা এসেছে। পিন কোড ভেরিফাই না করার কারনে কয়েকদিন PSA ও দেখাচ্ছিল। কিন্তু আমি দমে যাই নাই। কারন, কোন একটা ব্লগে পড়েছিলাম – “ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে শতকরা ১০০ জনই সাফল্য পায়, কিন্তু দু:খের বিষয়, ঔই ১০০ জনের মধ্যে প্রায় নব্বই জনই ঠিক সাফল্যের দোরগোড়ায় (Door To Door) এসে ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলে”।

But আমি এই নব্বই জনের দলের মধ্যে থাকতে চাইনি। গত মাসের চেক এ মাসে হাতে পেয়েছি। আর এ পোস্ট যখন লিখছি, চলতি মাসের আর্নিং ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আশা করি এখন থেকে প্রতি মাসে চেক পাবো।

নিচে কতগুলা লিংক দিয়ে দিলাম যেখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন এবং SEO Tips এর জন্য প্রায় প্রতিদিনই যাওয়া হয় –

  1. ডিজিটালপয়েন্ট ফোরাম
  2. ওযেবমাস্টার ওয়ার্ল্ড

এখন আমি আপনাদের সামনে গল্পে গল্পে এসইও (SEO) কি ও কেন এসইও করবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো ।

রহিম ও করিম দুইজনে গ্রামে একটা দোকান দিয়েছে। ২ জনের ব্যাবসা ভালই চলছিল। একজন অপর জনকে কিভাবে ছাড়িয়ে যাবে সেই চিন্তা মশগুল তারা দুজনে। সেই চিন্তার ফলাফল ছিল এমন রহিম গ্রামে আরো একটি দোকান খুলল আর করিম ভাবলো আমি এই গ্রামেকে টার্গেট করবো না আমি সারা দেশ টার্গেট করে দোকান দিবো, সেই চিন্তা ভাবনা থেকে সে একটা Website তৈরি করলো যেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সে সারাদেশে ব্যাবসা করবে ।

রহিম তার দোকান থেকে ভালই Business করা শুরু করলো ঐদিকে করিমের ওয়েবসাইটে মানুষজন তেমন একটা আসে না (কারন এরকম দোকান আরো অনেক আছে গঞ্জে) যার ফলে তার ব্যাবসা ও চলছে না । করিম ভাবলো কি করা যায় কিভাবে তার ওয়েবসাইট সবার কাছে পরিচিত করে তুলা যায় যে এটা একটা অনলাইন দোকান । সে এক আদনান ব্লগ এসইও এক্সপার্টের কাছে গিয়ে Suggestion চাইলো তার সকল সমস্যা খুলে বলে । সেই আইটি এক্সপার্ট তাকে কি বলল চলুন আমরা তাদের কথা বার্তার একটু সারাংশ শুনে আসি।

AdnanBlog SEO Expert:আপনার একটা ওয়েবসাইট আছে সেটা প্রথমে সবাইকে জানাতে হবে।

রহিমঃ কিভাবে আমি জানাবো? আমি কি Poster,Stickers,Signboard টানিয়ে জানাবো যে আমার একটা ওয়েবসাইট আছে এখানে আপনারা আপনাদের সকল প্রয়োজনীয় জিনিষ পাবেন ।

আদনানব্লগ এসইও এক্সপার্টঃ না, আপনি আপনার Online Shop এর জন্য অনলাইনে প্রচার প্রচারণা চালাবেন। এই প্রচার কে বলে এসইও।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

করিমঃ এসইও কি?

আদনানব্লগ এসইও এক্সপার্টঃ এই প্রচার কে বলে এসইও বা সার্চ ইঙ্গিন অপটিমাইজেশন SEO( Search Engine Optimization)

একে আমরা এইভাবে বলতে পারিঃ

SEO এমন একটি Process যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ট্রাফিক / ভিজিটর পাবেন ফ্রী / পেইড / এডিটরিয়াল এর মাধ্যমে ।

সার্চ ইঙ্গিন এর ভিতর গুগল (google), বিং(bing), ইয়াহু (yahoo), ইয়ানডেক্স (yandex) ইত্যাদি অন্যতম ।

করিমঃ SEO কেন করবো যদি আমাকে একটু Details বলতেন?

আদনানব্লগ এসইও এক্সপার্টঃ আপনার বন্ধু তার প্রচার করবে সে Poster,Stickers,Signboard টানিয়ে যে আমার গঞ্জে একটা দোকান রয়েছে যেখানে আপনারা সকল জিনিষ পাবেন সে তার গ্রামের থেকে লোকজন আসবে । তার প্রচারণা এর Range ঐ তার গ্রামের এলাকাটা। আর আপনার টার্গেট এলাকা সারাদেশ যেহেতু আপনি সারাদেশে পোস্টার স্তিকার ব্যানার সাইনবোর্ড টানিয়ে প্রচারণা পসিবিলিটি কারন এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল । এই জন্য আপনি আপনার Promotion এর জন্য সারদেশের মানুষ যেইখানে সার্চ করে বা খুজে সেইজাইগায় আপনার প্রচার চালাবেন ।

করিমঃ সারদেশের মানুষ কোথায় সার্চ করে?

AdnanBlog SEO Expert: পুরোদেশের মানুষ যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করে আপনি তাই সার্চ ইঞ্জিনে প্রচার চালাবেন । যার ফলে আপনি সারাদেশের মানুষের কাছে খুবি কম খরচে কম সময়ে আপনার দোকানের Publicity করতে পারবেন। এবং সারাদেশ থেকে আপনার দোকানে কাস্টমার পাবেন । যার ফলে আপনার দোকানের ব্যাবসা ও বৃদ্ধি পাবে।

করিমঃ ধন্যবাদ! এবার আমি বুঝতে পারছি এসইও কি ও কেন এস.ই.ও করবো । ভবিষ্যতে কিন্তু আরো বিরক্ত করবো আপনাকে। আশা করি আপনি আমাকে সাহায্য করবেন।

আদনানব্লগ এসইও এক্সপার্টঃ অবশ্যই। প্রবেলম নেই। সাথেই আছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here