টাকা আয় : অনলাইন থেকে ইনকাম করার ৫টি উপায়

0
483
অনলাইন-থেকে-টাকা-ইনকাম-কিভাবে-করা-যায়-টাকা-আয়ের-পথ

অনেকেই অনলাইনে টাকা আয় করতে চাই কিন্তু সবাই সফল হতে পারি না কারণ টাকা আয়ের পথ যে কি সেটা সবাই সঠিক ভাবে জানি না। আপনি অনলাইন ইনকাম করতে চাইলে স্বাধীন ভাবে কাজ করে উপার্জন করতে পারবেন হাজার হাজার ডলার। বর্তমানে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ব্লগিং করে অনেক টাকা আয় করা যায় আর এটার মাধ্যমে মানুষ এখন জীবিকা নির্বাহ করছে। আপনি চাইলে লেখালেখি করে আয় করতে পারেন অথবা মোবাইলে অনলাইনে আয় করতে পারেন। অনলাইন ইনকাম করার জন্য আজকে আমি ৫ টি উপায় বলবো যার মাধ্যমে আপনি হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারবেন। আপনি চাইলে মোবাইলে লেখালেখি করেও অনলাইনে আয় করতে পারেন।

অনলাইন ইনকাম করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ইন্টারনেটে সময় দিতে হবে কিন্তু যদি আপনি পড়ালেখার পাশাপাশি অনলাইন করতে চান তাহলে নির্দিষ্ট ভাবে টাইম সেট করে কাজ করতে পারেন। ঘরে বসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে শুধুমাত্র এফিলিয়েট মার্কেটিং বা ব্লগিং করে। অনলাইন ইনকাম করার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক বেশি লাভদায়ক।

১। রয়্যালটি উপার্জন

যেকোনো কিছুই লাইফে করেন না কেন আপনের একটি ইনকাম সোর্সের প্রয়োজন হবে তা না হলে আপনি সেই ক্যারিয়ারে টিকে থাকতে পারবেন না। ব্লগিং করার ক্ষেত্রেও একই ভাবে অবশ্যই একটি ইনকাম সোর্স থাকতে হবে যেন আপনি পরিশ্রম থেকে একটা ভাল আয় করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট-মার্কেটিং

ব্লগিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর দারুণ একটি সুবিধা হচ্ছে এটা থেকে রয়্যালটি উপার্জন করা যায়।রয়্যালটি অনলাইন ইনকাম বলতে বুঝায় আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করবেন এবং তার পরবর্তিতে লংটাইম কাজ বন্ধ রাখলেও ইনকামটা অফ থাকবে না এটা চলতে থাকবে। এটাকে রয়্যালটি আর্নিং মডেল বলা হয়। বিশেষ করে যারা লেখক বিভিন্ন বই লেখে তারা এই ভাবে করে থাকে।

এছাড়াও যারা প্রোডাক্ট ডেভেলপার বিভিন্ন প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারে তারা এ ধরনের ইনকাম করে থাকে এবং সচারাচর আমাদের আসে পাসে এই ধরণের মানুষ গুলোকে খুব কম দেখে থাকি যারা এই ভাবে করে থাকে। যার জন্য এই বিষয়টা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা কম।

আরো পড়ুন:-

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনিও রয়্যালটি আর্নিং মডেল Develop করতে পারবেন। একজন লেখক যখন একটা বই লেখে তখন সে বইটা যত বারই বিক্রয় হয় প্রত্যেক বারই সেই লেখক একটা কমিশন পায়। এবং লেখক যদি কখনো মারা যায় তারপরও কিন্তু সে ইনকামটা থেমে থাকে না। সে মারা যাওয়ার পরেও সেই বই গুলো বিক্রয় হতে থাকে সে বা তার পরিবারের জন্য রয়্যালটি ইনকাম হয়ে থাকে।

যতবারই বই বিক্রয় হয় ততবারই সে লেখকের একটা ইনকাম হয়। এই ধরণের উপার্জন গুলোকে রয়্যালটি আর্নিং মডেল বলা হয় এটা আমি শুধু একটা উদাহরণ দিলাম লেখকদেরকে দিয়ে। ব্লগিং আসলে লেখা-লেখির কাজ এখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ের উপরে লেখালেখি করবেন। যেমন- বই হচ্ছে একটা আল্টিমেট প্রোডাক্ট যেটা সচরাচর সবাই লিখতে পারে না।

কিন্তু ব্লগিং যেকারো পক্ষেই করা সম্ভব আপনের জাস্ট একটা ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হবে এবং সেটাকে সেট আপ করে নিয়ে আপনার যে বিষয় গুলোতে ইন্টারেস্ট আছে যে বিষয় গুলো ভাল লাগে সে বিষয় গুলোর উপরে লেখা-লেখি শুরু করে দিতে পারেন। এর জন্য আপনার লেখা পাবলিশ করার জন্য কারো অনুমতি নিতে হচ্ছে না কারো জন্য অপেক্ষাও করতে হচ্ছে না।

নিজের ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দের বিষয়টি লেখা-লেখি করে যখন খুশি তখন পাবলিশ করে দিতে পারছেন। এখন টেকনোলজি এ বিষয় গুলোকে খুবই সহজ করে দিয়েছে। যেমন ধরেন ফেসবুক এখানে আমরা বিভিন্ন সময়ে স্ট্যাটাস দেই এবং এখানে চাইলেও কিন্তু আমরা অনেক কিছু লিখতে পারি কিন্তু ফেসবুকে স্ট্যাটাসবারে যত কিছুই লিখেন না কেন সেটা থেকে কোনো ইনকাম করেত পারেবন না।

২। কম বিনিয়োগ ব্যবসা

কম বিনিয়োগ ব্যবসা একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক। এখন অনেকেই বিজনেসের কথা শুনলে একটু ঘাবড়ে যায় যে বিজনেসতো আমার পক্ষে করা সম্ভব না, হয়ত আমার কাছে এতো টাকা নাই এতো ইনভেস্ট করার মত অবস্থা নাই। চিন্তা নেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য কোনো বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই।

একটা ওয়েবসাইট আপনি খুব সহজেই সেট আপ করে ফেলতে পারেন নিজেই। হয় কোনো ওয়েব ডেভেলপারকে দিয়ে সেট আপ করে নিবেন অথবা নিজেই সেট আপ করে ফেলতে পারেন আপনের যদি শেখার মানসিকতা থাকে।

অনলাইন-জব

ওয়েবসাইট মেন্টেন করার সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস । আমরা এন্ড্রুয়েড ফোন গুলো ব্যবহার করে থাকি যেটা হচ্ছে এন্ড্রু অপারেটিং সিস্টেম যেটাকে আমরা সচরাচর স্মার্ট ফোন বলে থাকি।

ঠিক আমরা আবার কম্পিউটার ব্যবহার করছি উইন্ডোজ পিসি, উইন্ডোজের বিভিন্ন অপশন গুলো ব্যবহার করি my folder, new folder, drive বিভিন্ন ফাইলে সেভ করে রাখার জন্য, এটা হচ্ছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তেমনি ওয়েবসাইট অপারেট করার জন্যও সফটওয়্যার আছে যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস।

এটা জনপ্রিয়তা পাওয়ার অন্যতম একটা কারণ হচ্ছে এটা ব্যবহার করা খুবই সহজ। যেকোনো একজন মানুষ কোনো ধরণের কোডিং স্কিল ছাড়াই তার নিজের ওয়েবসাইট নিজেই মেন্টেন করতে পারবে। কোনো ধরণের ওয়েব ডেভেলপার বা কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রামারের সহযোগিতার দরকার নেই। যার জন্য এটার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়তেছে এবং পুরো পৃথিবীতে যত ওয়েবসাইট আছে তার বেশির ভাগ ওয়েবসাইটই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে চলছে।

অনেক বড় বড় কোম্পানি ওয়েবসাইট তৈরিতে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করছে তাদের কোম্পানির জন্য। আপনি নিজে চাইলেও ব্লগিং ক্যারিয়ারের জন্য এই ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটি দিয়ে খুবই সুন্দর ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় এবং সেখানে আপনার ভাল লাগা বিষয়টি নিয়ে লেখা-লেখি শুরু করে দিবেন। একটা ওয়েবসাইট চালু করতে বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না, বিশেষ করে ব্লগিং করার জন্য।

প্রায় দশ হাজার টাকার মধ্যেই একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। এছাড়া পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেও একটা ওয়েবসাইট সেট আপ করে ফেলতে পারবেন আপনের নিজস্ব ডোমেইন এবং নিজস্ব হোস্টিং এর মধ্যেই। শুরুর দিকে অনেক পাওয়ারফুল সার্ভার নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। যারা একেবারে নতুন তাঁদেরকে শুরুতে অনেক কিছু শেখার প্রয়োজন হয়।

একটা ওয়েবসাইট কি ভাবে ইন্সটল করতে হয় কি ভাবে সেট আপ করতে হয় সেটার বেসিক যে ব্যবহার গুলো আছে সে ব্যবহার গুলো শিখতেই আপনের দেখা যাচ্ছে যে এক বা দুই মাস সময় লেগে যেতে পারে।

৩। স্বাধীন ব্যবসা

স্বাধীন ব্যবসা বলতে আপনি যেকোনো সময় মনে চায় কাজ করলেন আর না করলে কোনো সমস্যা নাই। আপনি যদি একটা জব করেন তাহলে একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে প্রতিদিনি কাজ করা লাগবে। কিন্তু ব্লগিং ক্যারিয়ারে যখন খুশি কাজ করবেন ইভেন্ট আপনি জব করছেন সে জবের পাশাপাশি এক্সট্রা যে সময় গুলো থাকে সে সময় গুলোকে ব্যবহার করে আপনের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারেন।

আমি একবারও কিন্তু জবের সাথে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে তুলনা করছি না। আপনি যদি জব করে থাকেন বা করতে চান তাহলে করুন সমস্যা নেই। আমি শুধু আপনাকে এটাই বলছি যে ব্লগিং এর অন্যতম একটা সুবিধা হচ্ছে আপনি সম্পুর্ণ স্বাধীন।

অনলাইন-ইনকাম-বিকাশে-পেমেন্ট-২০১৯-২০২০-২০২১-২০২২-২০২৩-২০২৪-২০২৫

আপনি যখন খুশি কাজ করতে পারছেন যতটুকু কাজ করবেন ততটুকু ইনকাম করতে পারেবন। প্রতিদিন পাঁচ ঘন্টা কাজ করলে সেই অনুযায়ী আপনের ইনকাম হবে, আপনি যদি দুই ঘন্টা কাজ করেন সেই অনুযায়ী আপনের ইনকাম হবে।

যেহেতু ওয়েবসাইটটি আপনের নিজের একটি বিজনেস এখানে সম্পুর্ণ স্বাধীনতা আছে। তাই সময়ের স্বাধীনতা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ব্লগিং শুরু করার অন্যতম আরেকটি কারণ। যার জন্য পুরো পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ সফলতার সাথে এই প্রফেশনটি বেঁছে নিয়েছে।

৪। ইংরেজি লেখার দক্ষতায় উন্নতি

আমাদের দেশের প্রায় ছেলে-মেয়েরা ইংরেজিতে দূর্বল। অনেক স্টুডেন্টস চায় তাদের ইংরেজি স্কিলসকে ডেভেলপ করেত কিন্তু যেকোনো কারণে এটা আর হয়ে উঠে না। ব্লগিং হচ্ছে ইংরেজি ইমপ্রুভমেন্ট করার অন্যতম একটি কারণ।

অনেকেই দেখা যায় বিভিন্ন ম্যাসেজিং করার মাধ্যমে চ্যাটিং করার মাধ্যমে আমরা প্রচুর সময় নষ্ট করে ফেলি। অথচ এই যে চ্যাটিং আমরা করছি এটাও কিন্তু এক ধরণের কনটেন্ট, আপনি দুই লাইন আর পাঁচ লাইন লেখেন সেটা কোনো মেটার না কিন্তু এটাও একটা লেখা এটাও কিন্তু একটা কনটেন্ট হয়তো অন্যকোনো বিষয় বা পার্সোনাল বিষয় নিয়ে লিখছেন।

কিন্তু এই লেখা-লেখিটাকে আপনের ওয়েবসাইটে প্রফেসনালি করতে পারেন তাহলে এটা থেকে আপনের একটা ক্যারিয়ার অপরচিউনিটি তৈরি হয়ে যাবে তাও আবার রয়্যালটি ক্যারিয়ার।

মোবাইলে-অনলাইনে-ইনকাম

ইংরেজি ইমপ্রুভমেন্টর হিউজ একটি অপরচিউনিটি থাকে এই ব্লগিং ক্যারিয়ারে। যখন আপনের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখতে শুরু করবেন তখন আস্তে আস্তে আপনের উন্নতি আসতে শুরু করবে। ইংরেজি শিখার সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে বাস্তব জীবনে চর্চা করা।

দেখা যায় আমাদের আসে পাসের মানুষ গুলো ইংরেজি শেখার আগ্রহ আছে, এ জন্য অনেকের মধ্যে আগ্রহ থাকা সত্তেও চর্চা করার অভাবে ইংরেজিটা শেখা হয়ে উঠে না। আজকে করবো কালকে করবো সাথে বন্ধু-বান্ধব বা কাওকে পাওয়া যায় না যার সাথে একটু চর্চা করা যেতে পারে।

এই ক্ষেত্রে ব্লগিং করে নিজেই নিজের সাথে চর্চা করতে পারেন সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের উপর আপনি লেখা-লেখি করেত পারেন। এবং যেহেতু এটা সম্পুর্ণ আপনার নিজের ওয়েবসাইট এখানে ভুল করেলও আপনাকে কেউ এসে বকা দিচ্ছে না, যে কেন ভুল লিখলেন।

আপনার ওয়েবসাইট আপনি ভুল লেখলেও আপনার, সঠিক লেখলেও আপনার, সো ভুল করলে যে একটা টেনশন সে টেনশনটা আসলে কাজ করবে না। প্রতিদিন যখন বিভিন্ন বিষয়ের উপর কনটেন্ট লিখতে থাকবেন দেখবেন লিখতে লিখতে আপনার চর্চা হয়ে যাচ্ছে।

৫। ইনকামের বিভিন্ন উৎস

আমরা লাইফে যাই করতে চাই না কেন পড়াশোনা করি, চাকরি Job করতে চাই বা বিজনেস করতে চাই তার একটা কারণ আমাদের লাইফে থাকে যেন আমরা একটা সময়ে গিয়ে ভাল কিছু টাকা ইনকাম করতে পারি যেটা আপনার পরিবারকে সাপোর্ট করেত পারে, তো ব্লগিং এ আপনি একটি সলিড ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন।

এটা করে গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন, অন্যান্য কোম্পানির প্রোডাক্ট আপনার কনটেন্টের মধ্যে প্রমোট করার মধ্যমে বিক্রয় করে সেখান থেকেও ইনকাম করতে পারেন। পাশাপাশি নিজে যদি কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করেত পারেন সে প্রোডাক্ট আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন।

টাকা-আয়-করার-সহজ-উপায়

আপনার ওয়েবসাইটে ভাল মানের কনটেন্ট থাকলে অথবা কখনো যদি মনে হয় এই বিষয়ের উপর আর লেখা-লেখি করেত চাচ্ছেন না তাহলে আপনি flippa এর মত মার্কেটপ্লেসে ওয়েবসাইটটি বিক্রয় করে দিতে পারেন এখানে অনেক ভাল দামে বিক্রয় করতে পারবেন। যদি সঠিক ভাবে ভাল মানের কনটেন্ট গুলো আপনি পাবলিশ করেন তাহলে এই Flippa মার্কেটপ্লেসে অনেক ভাল মানে বিক্রয় করতে পারবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ওয়েবসাইট মার্কেটিং এবং নিজস্ব প্রোডাক্ট সার্ভিস মার্কেটিং করার পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পন্সর পাওয়া ইত্যাদি। এই ধরণের বিভিন্ন ৪-৫টি উপায় পেসিভ ইনকাম জেনারেট করেত পারেন ব্লগিং ক্যারিয়ার থেকে।

শুধু মাত্র আমাদের বাংলাদেশেই না বরং পুরো পৃথিবীতেই এ এই ক্যারিয়ারটি খুবই জনপ্রিয় এবং মানুষ বিভিন্ন টপিকের উপর ব্লগিং করে অনেক ভাল মানের উপার্জন করছে। যে বিষয় আপনি ভাল জানেন সে বিষয় শুরু করে দিবেন।

আপনি যদি কিছু নাও জানেন তাতে কোনো সমস্যা নেই আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করে দিতে পারেন এবং কিভাবে কনটেন্ট রাইটিং গুলো করতে হয় সেটা স্টেপ বাই স্টেপ শিখে নিতে পারলেই কোনো কিছু না জানলেও সমস্যা নেই তার পরেও আপনি কনটেন্ট রাইটিং করতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here