ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় অজানা রহস্যময় ঘটনা সিকাডা ৩৩০১

0
152
ইন্টারনেট-জগতের-সবচেয়ে-থেকে-বড়-রহস্যময়-ঘটনা-সিকাডা-৩৩০১

হ্যালো বন্ধুরা ইন্টারনেটকে কাপিয়ে দেওয়ার মতো অজানা রহস্যময় ঘটনা একটি তথ্য যার নাম “cicada 3301″। ২০১২ সালে ১ম জানুয়ারি সেই সময়ের বিখ্যাত ওয়েব কমিউনিটি সাইট 4chan এ একজন ইউজার একটি ছবি পোস্ট করে যেখানে ছবিটির উদ্ভাবক নিজেকে নামবিহীন রাখার জন্য ৩৩০১ ছদ্য নাম ব্যবহার করে এবং বুদ্ধিমান মানুষদের এই ছবিটিতে থাকা রহস্য বের করতে বলে। কেইবা জানতো তখন এই ছবিটি হতে চলেছে এই শতকের ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে থেকে বড় রহস্যময় ঘটনা (big mystery) যা ঠান্ডা মাথায় গ্রাস করবে বুদ্ধিমানদের বুদ্ধির সবটুকু।

ছবিটি পোস্ট করার কিছু মিনিটের মধ্যেই কোনো একজন পোস্ট করা ফাইলটিকে টেক্সট এডিটরে কনভার্ট করে। করা মাত্রই একটি অর্থপূর্ণ পাঠ্য পেয়ে যায় যার অর্থ দ্বারায় “টিবারিয়াস ক্লডিয়াস সিজার বলেছেন” ঠিক তার নিচেই পাওয়া যায় একটি ছবির লিংক যেখানে ক্লিক করে পাওয়া যায় একটি সাধারণ ছবি যেখানে লেখা রয়েছে আপনি রহস্য উদঘাটন করতে ব্যর্থ হলেন কিন্তু বুদ্ধিমান ইউজার সেখানে থাকা ম্যাসেজটা পড়ে ফেলে যেখানে “looks and guess” শব্দ দুটিকে নিয়ে তাদের সন্দেহ হয় looks মানে দেখা আর guess অর্থ অনুমান করা।

সেখানে কিছু পার্টিসিপেটরা বুঝতে পারে যে outguess বলে একটি অ্যাপলিকেশন রয়েছে যেখানে ছবি এক্সট্রেক করা যায় এটা বুঝার পরে তারা প্রথম ছবিটিকে outguess অ্যাপলিকেশনে এক্সট্রেক করে যে তথ্য পাওয়া যায় তার মধ্যে ছিল একটি লিংক যে লিংকটিতে ক্লিক করে ইউজাররা চলে যায় একটি পেইজে যার নাম reddit

রেডিট হলো একটি ওয়েব প্লাটফর্ম যেখানে আপনি নামবিহীন থেকে যেকোনো বিষয় প্রশ্ন করে উত্তর দেখতে পারবেন। ওই লিংটির পেইজটিতে পাওয়া যায় একটি বইয়ের অসংখ্য ব্যাখ্যা যে বইটি থেকে একটা কোড পাওয়া যায় যে কোডটি থেকে জানা যায় “call us at us telephone number 2143909608” নাম্বারে কল করে পাওয়া যায় এই ম্যাসেজটি “very good you have done well there are three prime numbers associated with the original final.jpg image 3301 is one of them you will have to find the other two multiply all there of these numbers together and add a.com on the end to find the next step good luck goodbye.” পাঠকদের সুবিধার্থে এটা আমি বাংলায় অনুবাদ করে বলছি “খুব ভাল আপনি ভাল কাজ করেছেন এখানে মূল বা চূড়ান্ত জেপিজি ফর্মেটের ছবির সাথে তিনটি আলাদা আলাদা নাম্বার যুক্ত ৩৩০১ তাদের মধ্যে একটি নাম্বার তোমাকে আরো দুটি সন্ধান করতে হবে তিনটি নাম্বারকে খুঁজে তাদেরকে গুণ কর গুণফলের সাথে ডট কম জুড়ে সার্চ কর তুমি নিজে পরবর্তি পদক্ষেপ পেয়ে যাবে শুভাগ্য তোমার শুভ বিদায়।”

পরের দিন আসল ছবিটি ইউজারদের দ্বারা সারা ইন্টারনেটে পোস্ট করা হল এবং কিছু বুদ্ধিমানেরা কাজে লেগে পরে লেগে পরে বড় বড় সংস্থার গোয়েন্দারাও এই রহস্যের সমাধাণের। কিন্তু তারা নিরাশ হয়ে বন্ধ করে দেয় নিজেদের মগজ খাটানো রয়ে গেলো একটা প্রশ্ন কিসের জন্য এই ধাঁধা? কে আছে এর পেছনে? কেউ কি শেষব্দি আদৌ পারবে?

আরো পড়ুনঃ ওয়াইফাই হ্যাক নন রুট-মোবাইল দিয়ে ওয়াইফাই হ্যাক-wifi হ্যাকিং সফটওয়্যার

বুঝতেই পারছেন কি চরম ভাবে মানুষ এই বিষয়টিতে কৌতহলি হয় কিছু মানুষ এটাকে নিয়ে হাসাহাসি করে শুধু জোকস ভেবে কিন্তু কিছু মানুষ প্রচন্ড জটিলতা ও রহস্যের গন্ধ পায় এর মধ্যে এই বিষয় অধিক চর্চার কারণে। কেউ কেউ জানায় এটি একটি গোপন সোসাইটি গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টারনেট থেকে বুদ্ধিমান মানুষকে নিজেদের দলে নিচ্ছে কেউ কেউ আবার কিছু বড় বড় সংস্থাকে দায়ী করে কিন্তু এগুলো শুধুমাত্র গুজব ছিল সেই সময়ের।

অংশগ্রহণকারীরা বাকি দুটি নাম্বার উদ্ধার করে ফেলে তারা যেটি বুঝতে পারে যে দুটি নাম্বার আসলেই অরজিনাল ইমেজেটির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ তারপর দৈর্ঘ্য প্রস্থ এবং প্রথম নাম্বারটিকে গুণ করে যে নাম্বারটি পাওয়া যায় (৫০৯*৫০৩*৩৩০১=৮৪৫১৪৫১২৫৭) এবং তার পাশে ডট কম লাগিয়ে 8451451257.com যে ওয়েবসাইটে যে ইউজাররা যায় সেখানে সিকাডার লোগোর নিচে চলছিল একটি টাইমার যে টাইমার জিরোতে পৌছানোর পরেই একটি কর্ডিনেটের লিস্ট চলে আসে এই কর্ডিনেটস পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পয়েন্ট করছিল যার মধ্যে পাঁচ দেশের চৌদ্দটি লোকেশন ছিল এবার সম্পূর্ণটা অংশগ্রহণকারীদের উপরে ছিল তারা নিজেদের কাছাকাছি যেকোনো একটি স্থানে পৌঁছে সিকাডার নির্দেশিকা সংগ্রহ করবে। যারা যারা মানছিল সিকাডা এক গোপন গ্রুপ তারা এবার সম্পূর্ণ ভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করল এটা আসলে ইন্টারনাল সিক্রেট সোসাইটি কারণ শুধু মাত্র রহস্য তৈরির জন্য এতগুলো দেশে তাদের পৌঁছানো মোটেও সামান্য বিষয় ছিল না।

প্রত্যেকটি লোকেশনে ছিল একটি সিকাডার পোষ্টার যে পোষ্টারে ছিল সিকডার প্রতীক এবং একটি করে কিউআর কোড এবং কিউআর কোড নিয়ে যায় একটি লিংকে লিংক নিয়ে একটি ছবিতে ছবি নিয়ে ধাঁধায় এবং ধাঁধা নিয়ে যায় একটি বইতে অবশেষে বইটি লিংক দেয় একটি ওয়েবসাইটের কিন্তু এইবার সম্পূর্ণ রহস্যটা চলে যায় অন্য এক পর্যায় ওয়েবসাইট কিছু সংখ্যক অংশগ্রহণদের একসেপ্ট করে বাকিদের রিজেক্ট করে ওয়েবসাইটি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পর ম্যাসেজ দেয় “we want the best, not the followers.” অর্থাৎ” আমরা সেরা মানুষটিকে চাই, অনুসরনীকে নয়।”

যাদের এই ধাঁধায় পরবর্তি সুযোগ দেওয়া হয় তাদের স্পষ্টই জানিয়ে দেওয়া হয় জেন তারা বাকি একসেপ্টেড অংশগ্রহণকারীদের সাথে কোনো ধরণের তথ্য শেয়ার না করে যেমনটা আপনারা বুঝতেই পারছেন অনেকেই সিকাডার এই কথায় পাত্তা দেয়নি তারা তথ্য প্রকাশ করার সাথে সাথেই প্রত্যাখ্যান হতে থাকে কিন্তু কিছু গোয়েন্দা ব্যক্তি সহস্য ভেত করতে থাকে একা একাই যারা শেষ পর্যন্ত দেখেছিল।

অজানা-রহস্যময়-ঘটনা

প্রায় একমাসের নীরবতার পর রেডিটে একটি পোস্ট হয় সিকাডার তরফ থেকে যেখানে জানানো হয় সিকাডা নিজের চাওয়ার মত বুদ্ধিমান ব্যাক্তিদের পেয়েগেছে কিন্তু সেই বুদ্ধিমান ব্যাক্তিদের কি হয়েছে তা এখন অব্দি ভুল। এই বার্তার পর সকলের মনে হয় সিকাডার ধাঁধা শুধুইমাত্র উদ্দেশ্যহীন রহস্য ছিল যা ইউজারদের সময় নষ্ট করছিল এতদিন কারণ অরজিনাল ইমেজের সব প্রশ্নের উত্তর কারো কাছে স্পষ্ট ছিল না। কারা এর পেছনে? কি হবে যদি কেউ শেষ অব্দি পৌছায়?

সিকাডার এই ম্যাসেজটিতে পাওয়া প্রত্যেকটি ছবির কোড ক্রাক করে পাওয়া যেত একটি পিজিপি সিগনেচার যেটা অংশগ্রাণকারীদের বুঝাত এটাই অরজিনাল সিকাডার ছবি কারণ পিজিপি সিগনেচার নকল করা অসম্ভব ছিল। এসব ঘটনার পরেও অনেক পোস্ট সিকাডার নাম বানিয়ে হচ্ছিলো কিন্তু পিজিপি কোড (PGP code) মিলছিল না। কিন্তু সিকাডার শেষ ছবির ঠিক এক বছর একদিন পর আবার একটি পোস্ট হয় 4chan এ। যার পিজিপি কোড মিলে যায় মানে সিকাডার যাত্রা আবার শুরু হয়।

এবারের ধাঁধা একটু অন্যরকম হলেও ব্যাপারটা একই রকমের ছিল ইমেজ থেকে কোড এবং কোড থেকে লিংক, লিংক থেকে বই এবং তারপরে উদ্ধার হয় একটি মিউজিক যার মধ্যে ছিল একটি কোড যে মিউজিকের নাম ছিল”The insert emergence” তারপর সেই কোড গুলো ডিকোড করে পাওয়া যায় আবার কিছু লোকেশন এবং শেষ অব্দি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে কিউআর কোড সংগ্রহ করা তবে এবার চারটি দেশের আটটি লোকেশন ছিল এবং আগের বারের মতোই কিছু সিলেক্ট মানুষকে আগে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় ওয়েবসাইটে এবং গ্রুপ ভেঙ্গে স্বতন্ত্রভাবে। কিন্তু এবার এক মাস পরে আগের বারের মতো অফিশিয়াল ম্যাসেজ সাবরেডিটে দেওয়া হয় না যে তারা বুদ্ধিমান ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিদের পেয়েগেছে।ধাঁধার রহস্য ঠান্ড হতে থাকে সিকাডা আবার অদৃশ্য হয়ে যায় আরেকবারের মতো কোনো রকম সংকেত না দিয়েই যে এসব আসলেই কেন কিসের জন্য যুদিও এটা শেষ ছিল না।

২০১৪ সালের শুরুতেই বুঝা যায় আবার রাউন্ড থ্রি সময় এসেছে হ্যা এবারও ব্যপারটা একই রকমের ছিল ইমেজ থেকে কোড,কোড থেকে লিংক, লিংক থেকে বই কিন্তু এবার গানের পরিবর্তে পাওয়া যায় একটি টুইটারের ছবি যে ছবিটিকে ইনকোড করবার পর অংশগ্রহণকারীরা পেল একটি অদ্ভুদ বই যার নাম ছিল “liber primus।” যার অর্থ লাতিন ভাষায় “প্রথম বই” আর এটা স্পষ্ট ছিল এর লেখক cicada। বইটি অনুবাদ করে দেখা যায় তার অধিকাংশ অর্থ সর্বপরি রহস্য বইটিতে ছিল বিভিন্ন দার্শনিক ধারনা যাকে আপনি সিকাডারও ধারণা বলতে পারেন। যেখানে রচনার মধ্যমে আলৌকিক সংস্কৃতি তুলনা করেছে তাছাড়া বইটিতে স্বাভাবিক ভাবেই ছিল অদ্ভুদ সূত্র এবং কোড।

উদাহরণস্বরূপ এই পেইজটিতে অংশগ্রহণকারীদের একটি ওয়েবসাইটে যেতে বলা হয় যেটি একটি ডার্ক ওয়েব বা ডিপ ওয়েবের সাইট যদিও বা এই সাইট এখনো ডিসকভার করা হয়নি বা যায়নি তেমনি একটি পেইজ থেকে একটি ওয়েবসাইটের খুঁজ আসে এবং আন্তঃসম্পর্ক নামক মিউজিকের উদ্ভব হয়। রুনি ভাষায় লেখা ৭৪টি পেইজে ১৯টিকেই সফল ভাবে অনুধাবন করা হয়েছে।

২০১৫ সালে অনেকেরি প্রত্যাশা ছিল সিকাডা আবার নতুন পাজল নিয়ে আসবে ধাঁধা নিয়ে আসবে এবং বইটি হয়ত কেউ পুরোপুরি অনুবাদ করে উদঘাটনও করে ফেলছে। কিন্তু সিকাডার ২০১৫ সালের পোস্ট সেটা কেউ পারেনি। প্রায় তিন বছর চলেগেছে ২০১৮ চলে আসে কিন্তু সিকাডার এখনো কোনো সারা পাওয়া যায়নি কিন্তু এই বইটির রহস্য একটি প্রশ্নকে কিন্তু প্রায় আড়ালই করে ফেলেছে অরিজিনাল ইমেজটা কেন ছিল? কি কারণে ছিল?

২০১২ সালে যখন সিকাডার ছবি প্রথম প্রকাশে আসে মনে হয়েছিল এটা একটি সার্ভিস বা প্রোডাক্টের মার্কেটের স্ট্যাটাস। মনে হওয়ার কারণ মাইক্রোসফট ARG আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স মুভিকে প্রমোট করবার জন্য তেমনই “HALO2” মুক্তির আগেও এমনি একটা স্ট্যাটাস ব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু সিকাডার রহস্য বাড়ার সাথে সাথে এটা স্পষ্টই হয় যে এটা কোনো মার্কেটিং স্ট্যাটাস নয়। কিন্তু আমরা যদি শেষ মেইলটিকে দেখি তাহলে একটা ধারণা পাওয়া যায় সম্ভবত এর পেছনে কে রয়েছে? প্রথম ধাঁধায় এই মেইলটিকে পেয়েছিল। এই মেইলে সিকাডা নিজেকে ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ বলে ব্যাক্ত করে। যারা বিশ্বাস করে গোপনীয়তা হল একটি অবিচ্ছেদ্য অধিকার সকলের তারা মানুষের গোপনীয়তাকে আরো বেশি সুরক্ষিত করেতই বুদ্ধিমানদের নিযুক্ত করছে এর পরেই রয়েছে তিনটি প্রশ্ন যেটা আসল কথা তারা কারা? বিশেষজ্ঞদের মতে এটা মেইল অনুসারে যারা হতে পারে ব্রিটিশ সংস্থা GCHQ একবার একটি প্রোগ্রাম চালু করেছিল যার নামে ছিল “Can you find it?” যেখানে অংশগ্রহণকারীদের একটি ধাঁধাকে সমাধান করতে হবে যা করতে পারলে একটি পুরস্কার অথবা সংস্থায় একটি পজিশন দেওয়া হবে।

রহস্যময়-সত্য-ঘটনা

সিকাডাও যদি সংস্থান নিযুক্ত প্রক্রিয়া হয়ে থাকে তবে প্রশ্ন আসে কোথায় সিকডার দুইটি ধাঁধার বিজয়িরা? কেন তাদের নাম প্রকাশ করা হল না? বা সিকাডা কেন নিজে আত্মপ্রকাশ করল না? সত্যিকথা বলতে বিজয়ীরা সামনে এসেছে কিন্তু বিজয়িরা এমন ভাবে বিচ্ছিন্ন তাদেরকে একত্রিত ভাবে পাওয়া প্রায় অসম্ভব কিন্তু “rolling stone” নামক একটি সংস্থা তাদের ইন্টারভিউ নেয় যেখান থেকে জানা যায় সিকাডা আসলে চেয়েছিল এমন একটি সফটওয়্যার ডিজাইন করতে যার দ্বারা মানুষের ইন্টারনেট বা বাস্তব গোপনীয়তাকে আরো বেশি সুরক্ষিত করবে আর তারা নিজেদের আদর্শ আর চিন্তা দ্বারাকে সবার মধ্যে পৌঁছাতে চেয়েছিল যদিও এই সফটওয়্যারের উপর সিকাডার কিছু মেম্বার এবং ধাঁধা উইনাররা কাজ করতে শুরু করে কিন্তু সিকাডার কোনো এক মেম্বার হঠাৎ কাজের উপর ইন্টারেস্ট হারায় এবং যে ওয়েবসাইটে কাজটি চলছিল তা ছিল ডার্ক ওয়েবের (Dark Web) একটি সাইট যা পরের দিনই উধাও হয়ে যায়।

তৃতীয় ধাঁধার উইনার হিসাবে Nox Populi নিজেক দাবি করে। নক্স পপুলি জানায় ধাঁধা জেতার পর তাকে রিকুইটমেন্ট করা হয়েছে জানানো হয়েছিল কিন্তু শেষ অব্দি তার সাথে আর কেউ যোগাযোগই করেনাই। আপনারা ধাঁধা গুলোর আরো বেশি তথ্য জানতে নক্স পপুলির চ্যানেলে যেতে পারেন। সিকাডার সম্পর্কে আপনাদের কি মনে হয়ে আমাদের কমেন্ট করে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here